সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
logo

দ্য সোর্স নিউজ বাংলা

অর্থনীতি

অর্থনীতি ও জনকল্যাণ: মানুষের আস্থা এবং একটি কল্যাণকর রাষ্ট্রের রূপরেখা ও বাংলাদেশের আগামী দিনের পথচলা ।

✍ লিখেছেন: শচীন বাঙালি,কলামিস্ট ও রাজনৈতি বিশ্লেষক প্রকাশিত: ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১:২০ পিএম
অর্থনীতি ও জনকল্যাণ: মানুষের আস্থা এবং একটি কল্যাণকর রাষ্ট্রের রূপরেখা ও বাংলাদেশের  আগামী দিনের পথচলা ।

অর্থনীতি বলতে শুধু মানুষের আয়-ব্যয়ের হিসাবকে বোঝায় না। অর্থনীতি হলো মানুষের সীমিত সম্পদ, শ্রম, সময় ও সামর্থ্যকে কাজে লাগিয়ে মানুষের বহুমুখী চাহিদা পূরণের জন্য উৎপাদন, বণ্টন, বিনিময়, ভোগ এবং সম্পদ ব্যবস্থাপনার সামগ্রিক প্রক্রিয়া। ব্যক্তি থেকে পরিবার, পরিবার থেকে প্রতিষ্ঠান এবং প্রতিষ্ঠান থেকে রাষ্ট্র—প্রতিটি স্তরেই অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড মানুষের জীবনযাত্রা ও কল্যাণের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে সম্পর্কিত।

তাই একটি দেশের অর্থনীতি শুধু সেই দেশের মোট আয়, মোট উৎপাদন বা মোট সম্পদের হিসাব নয়। সেই সম্পদ কীভাবে সৃষ্টি হচ্ছে, কীভাবে বণ্টিত হচ্ছে, কার হাতে কতটা যাচ্ছে, সাধারণ মানুষের জীবনমান কতটা উন্নত হচ্ছে এবং রাষ্ট্র সেই সম্পদকে মানুষের কল্যাণে কতটা কাজে লাগাতে পারছে—এসব বিষয়ও একটি দেশের অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

অর্থনীতির বিভিন্ন দর্শন ও কাঠামো রয়েছে—কল্যাণ অর্থনীতি, মুক্তবাজার অর্থনীতি, সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতি, পুঁজিবাদী অর্থনীতি, সাম্রাজ্যবাদী অর্থনৈতিক কাঠামো ইত্যাদি। এসব ব্যবস্থার মধ্যে রাষ্ট্রের ভূমিকা, সম্পদের মালিকানা, উৎপাদন ও বণ্টন ব্যবস্থা এবং মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করার পদ্ধতিতে পার্থক্য রয়েছে।

পুঁজিবাদী অর্থনৈতিক ব্যবস্থার সমালোচনায় কার্ল মার্ক্স দেখিয়েছেন, উৎপাদন ব্যবস্থায় পুঁজি ও শ্রমের সম্পর্কের মধ্যে কীভাবে শ্রমিক শ্রেণির শোষণ তৈরি হতে পারে। তাঁর বিশ্লেষণে উৎপাদনের উপায়ের মালিকানা এবং শ্রমের মাধ্যমে সৃষ্ট উদ্বৃত্ত মূল্য কার হাতে যাচ্ছে—এটি অর্থনৈতিক ব্যবস্থার একটি কেন্দ্রীয় প্রশ্ন।

অন্যদিকে, কল্যাণ অর্থনীতির মূল প্রশ্ন হলো—অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সমাজের মানুষের সামগ্রিক কল্যাণ কীভাবে বৃদ্ধি করা যায়। শুধু অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হলেই একটি রাষ্ট্র সফল হয়েছে—এমন নয়। মানুষের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, চিকিৎসা, খাদ্য, বাসস্থান, কর্মসংস্থান, সামাজিক নিরাপত্তা এবং মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপনের সুযোগ নিশ্চিত করাও অর্থনীতির উদ্দেশ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত।

মধ্যপন্থী অর্থনৈতিক চিন্তায় সাধারণত বাজারের শক্তি এবং রাষ্ট্রের সামাজিক দায়িত্ব—দুইটিকেই বিবেচনা করা হয়। অর্থনীতির বিভিন্ন পক্ষের সম্মিলিত শক্তিকে কাজে লাগিয়ে যদি একটি কল্যাণকর রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা যায়, অর্থনীতির সুফলকে যদি রাষ্ট্রের কল্যাণে ব্যবহার করা যায়, তাহলে সেই সম্পদ শ্রমিক, কৃষক, নিম্ন ও মধ্যবিত্ত এবং সাধারণ মানুষের কল্যাণে ব্যয় করা সম্ভব। রাষ্ট্রের সমাজতন্ত্রের ধারণাকেও আমরা শুধু রাষ্ট্রের মালিকানা হিসেবে বুঝি না। সমাজতন্ত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য হলো মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা—অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, স্বাস্থ্য, চিকিৎসা ও শিক্ষা। এসব অধিকার নিশ্চিত করার জন্য যে সামাজিক অবকাঠামো, অর্থনৈতিক সুযোগ, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান এবং জনকল্যাণমূলক ব্যবস্থা দরকার, তার সমন্বয়ও রাষ্ট্রের দায়িত্বের অংশ।

অর্থাৎ, মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করার জন্য অর্থনীতির উৎপাদনশীল শক্তিকে কাজে লাগানো এবং সেই অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সুফলকে সমাজের বৃহত্তর অংশের কাছে পৌঁছে দেওয়াই কল্যাণ অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্দেশ্য।

সেই কল্যাণ অর্থনীতির ধারণার সঙ্গে বাংলাদেশের রাষ্ট্রচিন্তারও একটি ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের সংবিধানে চার মূলনীতি—জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা—প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এই চার মূলনীতির মধ্যে সমাজতন্ত্রের ধারণার সঙ্গে অর্থনৈতিক ন্যায়বিচার, বৈষম্য হ্রাস এবং মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করার প্রশ্নটি গভীরভাবে যুক্ত।

এই অর্থনৈতিক দর্শনের কেন্দ্রে ছিল মানুষ। অর্থনীতির লক্ষ্য শুধু কয়েকজন মানুষের সম্পদ বৃদ্ধি নয়; বরং মানুষের ক্ষুধা, দারিদ্র্য ও বঞ্চনা দূর করা এবং প্রত্যেক নাগরিকের জন্য মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপনের সুযোগ সৃষ্টি করা।

কিন্তু আজ বাংলাদেশের যে অর্থনৈতিক বাস্তবতার মধ্য দিয়ে আমরা এগোচ্ছি, সেখানে যদি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সুফল সমাজের বৃহত্তর অংশের কাছে সমানভাবে না পৌঁছায়, তাহলে একটি সুবিধাভোগী শ্রেণি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। একই সঙ্গে কালোটাকা, অবৈধ সম্পদ ও দুর্নীতির মাধ্যমে সম্পদশালী একটি শ্রেণিও তৈরি হতে পারে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা যদি দুর্নীতিগ্রস্ত হয়ে যায়, তাহলে এর প্রভাব শুধু সরকারি কোষাগারে সীমাবদ্ধ থাকে না; তা পুরো অর্থনৈতিক ব্যবস্থার ওপর পড়ে। রাষ্ট্র যখন নিজেই দুর্নীতিগ্রস্ত হয়ে যায়, রাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়া যখন দুর্নীতির আবর্তে আবদ্ধ হয়ে পড়ে, তখন সাধারণ মানুষের রাষ্ট্রের ওপর আস্থা কমে যায়। মানুষ তখন প্রশ্ন করে—আমি যে কষ্টার্জিত অর্থ রাষ্ট্রকে কর হিসেবে দিচ্ছি, সেই অর্থ কি সত্যিই জনগণের কল্যাণে ব্যয় হবে?

এই আস্থার সংকট থেকেই কর ফাঁকির প্রবণতা তৈরি হতে পারে। আবার দুর্নীতিগ্রস্ত সরকারি কর্মচারীরা সেই সুযোগ গ্রহণ করে। একদিকে মানুষ কর দিতে অনাগ্রহী হয়, অন্যদিকে দুর্নীতির মাধ্যমে রাষ্ট্রের সম্পদ অপব্যবহার হয়। ফলে রাষ্ট্রের রাজস্ব কমে এবং দুর্নীতির একটি চক্র আরও শক্তিশালী হয়।

এভাবে রাষ্ট্র ধীরে ধীরে দুর্বল হতে থাকে। রাষ্ট্রের প্রতি মানুষের আস্থা কমে যায়। মানুষ দেশের প্রতি ভালোবাসা, দেশের অর্থনীতিতে নিজের অবদান এবং রাষ্ট্রকে কর দেওয়াকে নিজের নাগরিক দায়িত্ব ও গৌরবের বিষয় হিসেবে দেখতে পারে না।

মানুষ মনে করতে শুরু করে—আমি যে টাকা রাষ্ট্রকে দেব, সেই টাকা হয়তো কেউ না কেউ অপচয় করবে, আত্মসাৎ করবে অথবা ব্যক্তিগত স্বার্থে ব্যবহার করবে।

তাই অর্থনীতির উন্নয়নের জন্য শুধু নতুন শিল্প স্থাপন, উৎপাদন বৃদ্ধি, অবকাঠামো নির্মাণ কিংবা বিনিয়োগ বাড়ানোই যথেষ্ট নয়। অর্থনীতির একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো মানুষের আস্থা বা কনফিডেন্স।

একজন মানুষ যখন তার সঞ্চয় বিনিয়োগ করেন, একজন উদ্যোক্তা যখন নতুন ব্যবসায় বিনিয়োগ করেন, একজন বিনিয়োগকারী যখন শেয়ারবাজারে অর্থ বিনিয়োগ করেন, কিংবা একজন বিদেশি বিনিয়োগকারী যখন একটি দেশে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেন—তখন তাঁর সিদ্ধান্তের পেছনে অর্থনৈতিক হিসাবের পাশাপাশি রাষ্ট্র ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থার ওপর আস্থাও কাজ করে।

মানুষ বিশ্বাস করতে চায় যে তার বিনিয়োগ নিরাপদ থাকবে, তার সম্পত্তির অধিকার সুরক্ষিত থাকবে, তার ব্যবসা পরিচালনায় অযথা বাধা সৃষ্টি হবে না এবং রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানগুলো নিরপেক্ষভাবে কাজ করবে।

সুতরাং রাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হলো মানুষের মধ্যে সেই আস্থা তৈরি করা। একটি দুর্নীতিমুক্ত রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা যদি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে সুস্পষ্ট অঙ্গীকার থাকে যে রাষ্ট্রের প্রতিটি টাকা রাষ্ট্রের কল্যাণে ব্যয় করা হবে, তাহলে ধীরে ধীরে মানুষের আস্থা ফিরে আসতে পারে।

আমরা যদি প্রমাণ করতে পারি যে শিক্ষার জন্য যে বরাদ্দ, তা শিক্ষার পেছনেই ব্যয় হচ্ছে; স্বাস্থ্যের জন্য যে বরাদ্দ, তা মানুষের স্বাস্থ্যসেবায় ব্যয় হচ্ছে; অবকাঠামোর জন্য যে অর্থ বরাদ্দ হচ্ছে, তা যথাযথভাবে অবকাঠামো উন্নয়নে ব্যবহৃত হচ্ছে—তাহলে মানুষের রাষ্ট্রের প্রতি বিশ্বাস বাড়বে।

মানুষ তখন বুঝবে, আমি যে কর দিচ্ছি, সেই কর আমার নিজের সমাজ, আমার নিজের সন্তান, আমার নিজের স্বাস্থ্য, আমার নিজের শিক্ষা এবং আমার দেশের ভবিষ্যতের জন্য ব্যয় হচ্ছে।

এই আস্থা তৈরি হলে অর্থনীতির ওপরও তার ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। মানুষ কর দিতে উৎসাহিত হবে, বিনিয়োগ বাড়বে, উদ্যোক্তারা নতুন উদ্যোগ নিতে আগ্রহী হবে, উৎপাদন বাড়বে এবং অর্থনীতির পরিধি ধীরে ধীরে বিস্তৃত হবে।

আমাদের ট্যাক্সের আওতা বাড়বে, রাজস্ব বৃদ্ধি পাবে, রাষ্ট্রের সক্ষমতা বাড়বে এবং রাষ্ট্র আরও বেশি অর্থ মানুষের কল্যাণে ব্যয় করতে পারবে।

এখানে অর্থনীতি এবং রাষ্ট্রব্যবস্থা একে অপরের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। একটি শক্তিশালী অর্থনীতি গড়ে তুলতে হলে একটি শক্তিশালী ও বিশ্বাসযোগ্য রাষ্ট্রব্যবস্থা দরকার। আবার একটি কার্যকর রাষ্ট্রব্যবস্থা পরিচালনা করতে হলে শক্তিশালী অর্থনৈতিক ভিত্তি দরকার।

তাই রাষ্ট্রের দায়িত্ব শুধু অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সংখ্যা বাড়ানো নয়; মানুষের মধ্যে এমন একটি বিশ্বাস সৃষ্টি করা যে রাষ্ট্র তার নাগরিকের পাশে থাকবে এবং রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানগুলো ন্যায়সঙ্গতভাবে কাজ করবে।

কোনো মানুষের প্রতি অন্যায় হবে না। তার কর্মকাণ্ড পরিচালনার ক্ষেত্রে রাষ্ট্র কখনো অনৈতিকভাবে বা দলীয়ভাবে তাকে মূল্যায়ন করবে না। তার অগ্রযাত্রাকে থামানোর জন্য রাষ্ট্রের কোনো যন্ত্র বা রাষ্ট্রের কোনো অংশ তাকে বাধাগ্রস্ত করবে না।

রাষ্ট্র যদি প্রত্যেক মানুষের জন্য ফ্রি অ্যান্ড ফেয়ার বা সমান সুযোগ নিশ্চিত করে, তাহলে প্রত্যেক মানুষের যে সক্ষমতা আছে, যে বুদ্ধিমত্তা আছে, যে সৃজনশীলতা আছে—সে তার সর্বোচ্চ ব্যবহার করতে পারবে।

একজন মানুষ কোথায় জন্মগ্রহণ করেছে, তার পারিবারিক পরিচয় কী, তার রাজনৈতিক পরিচয় কী—এসবের ভিত্তিতে যদি তার অর্থনৈতিক ও সামাজিক অগ্রযাত্রা নির্ধারিত না হয়, বরং তার যোগ্যতা, শ্রম, মেধা ও উদ্যোগের ভিত্তিতে সে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পায়, তাহলে রাষ্ট্রের মানবসম্পদ তার সর্বোচ্চ সম্ভাবনায় কাজে লাগবে।

কারণ একটি দেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ শুধু তার প্রাকৃতিক সম্পদ নয়; তার সবচেয়ে বড় সম্পদ হলো তার মানুষ—তার শ্রম, মেধা, দক্ষতা, সৃজনশীলতা ও উদ্যোগ।

সেই মানুষের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হলে রাষ্ট্রকে সকলের জন্য সমান সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক হতে হবে। অর্থনৈতিক সম্পদ ও রাষ্ট্রীয় সুযোগের ব্যবহার হতে হবে জনগণের বৃহত্তর কল্যাণের জন্য।

তখনই আমরা এমন একটি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারব, যেখানে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি শুধু কিছু মানুষের সম্পদ বৃদ্ধির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং তার সুফল সমাজের বৃহত্তর মানুষের জীবনমান উন্নয়নে ব্যবহৃত হবে।

এই কল্যাণকর রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই অর্থনীতিকে মানুষের জন্য ব্যবহার করতে হবে। রাষ্ট্রের অর্থনীতি মানুষের ওপর নয়, মানুষের কল্যাণের জন্য কাজ করবে—এটাই হওয়া উচিত আমাদের মূল দর্শন।

আর সেই কল্যাণকর রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠাই আগামী দিনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য—যে লক্ষ্য বঙ্গবন্ধুর রাষ্ট্রচিন্তার অন্যতম ভিত্তি ছিল। আগামী দিনে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে বঙ্গবন্ধুর কল্যাণকর অর্থনৈতিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা হবে আমাদের রাষ্ট্র পরিচালনার নীতি ও আদর্শ।

লেখক: শচীন বাঙালি,কলামিস্ট ও রাজনৈতি বিশ্লেষক

এই সংবাদটি শেয়ার করুন: