শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
logo

দ্য সোর্স নিউজ বাংলা

রাজনীতি

বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশির প্রাণ, রেমিট্যান্সে গর্ব, বিপন্ন প্রবাসীর পাশে রাষ্ট্র কোথায়?

✍ লিখেছেন: ড. আবুল হাসনাৎ মিল্টন,সাংবাদিক, রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও প্রধান সম্পাদক, দ্যা সোর্স নিউজ বাংলা (The Source News Bangla) প্রকাশিত: ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৪৬ পিএম
বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশির প্রাণ, রেমিট্যান্সে গর্ব, বিপন্ন প্রবাসীর পাশে রাষ্ট্র কোথায়?

একটি রাষ্ট্রের শক্তি শুধু তার অর্থনীতি, সামরিক ক্ষমতা কিংবা আন্তর্জাতিক প্রভাব দিয়ে পরিমাপ করা যায় না; বরং তার নাগরিকের জীবন, মর্যাদা ও অধিকার রক্ষায় রাষ্ট্র কতটা দায়িত্বশীল, তার ওপরই নির্ভর করে রাষ্ট্রের প্রকৃত শক্তি ও সম্মান। সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর আমাদের সামনে এমন কিছু কঠিন প্রশ্ন তুলে ধরেছে, যেগুলো এড়িয়ে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী, মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে বাংলাদেশ সরকার কিংবা সৌদি আরবে বাংলাদেশের কূটনৈতিক মিশন বিষয়টি যথাযথভাবে জানতে পেরেছিল কি না, তা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। যদি সত্যিই মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পর বাংলাদেশ বিষয়টি জেনে থাকে, তবে এটি শুধু কূটনৈতিক ব্যর্থতার প্রশ্ন নয়; এটি রাষ্ট্রের নাগরিক-সুরক্ষা ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়েও গভীর উদ্বেগের বিষয়। প্রশ্ন হলো, বিদেশের মাটিতে একজন বাংলাদেশি নাগরিক যখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে থাকেন, তখন তাঁর পাশে দাঁড়ানোর দায়িত্ব কার? পরিবার যখন প্রিয়জনের জীবন বাঁচানোর আশায় অপেক্ষা করে, তখন রাষ্ট্রের দূতাবাস ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভূমিকা কী? আর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়ে যাওয়ার পর যদি রাষ্ট্রের তৎপরতা শুরু হয়, তাহলে সেই তৎপরতার মূল্যই বা কতটুকু?

মৃত্যুর পর তৎপরতা নয়, জীবন বাঁচানোর উদ্যোগ চাই সৌদি আরব বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শ্রমবাজার। জীবিকার তাগিদে লাখ লাখ বাংলাদেশি সেখানে কাজ করেন। তাঁরা শুধু প্রবাসী শ্রমিক নন; তাঁরা বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি। তাঁদের পাঠানো রেমিট্যান্সে দেশের পরিবার চলে, অর্থনীতি সচল থাকে। অথচ তাঁদের কারও বিরুদ্ধে গুরুতর ফৌজদারি অভিযোগ উঠলে, বিচারপ্রক্রিয়া চললে কিংবা মৃত্যুদণ্ডের মতো চূড়ান্ত শাস্তির আশঙ্কা তৈরি হলে বাংলাদেশ রাষ্ট্র কতটা কার্যকরভাবে পাশে দাঁড়ায়—সেই প্রশ্ন আজ সামনে এসেছে। মনে রাখতে হবে, বিদেশে অবস্থানরত কোনো বাংলাদেশি অপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত হলে তাঁর আইনি অধিকার ও ন্যায়বিচারের দাবি শেষ হয়ে যায় না। অপরাধ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট দেশের আইন অনুযায়ী বিচার হতে পারে। কিন্তু সেই বিচারপ্রক্রিয়ায় ন্যায়সংগত সুযোগ, দোভাষীর সহায়তা, আইনজীবী পাওয়ার সুযোগ এবং প্রয়োজনীয় কনস্যুলার সহায়তা নিশ্চিত করার প্রশ্ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাষ্ট্রের দায়িত্ব অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অন্ধভাবে নির্দোষ ঘোষণা করা নয়; রাষ্ট্রের দায়িত্ব হলো, তাঁর নাগরিক অধিকার যাতে উপেক্ষিত না হয়, তা নিশ্চিত করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করা। মৃত্যুদণ্ডের মতো অপরিবর্তনীয় শাস্তির ক্ষেত্রে এই দায়িত্ব আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ। যদি বাংলাদেশ সরকার সত্যিই আগে থেকে কিছু না জেনে থাকে, তাহলে কেন জানেনি? সংশ্লিষ্ট দূতাবাস কি নিয়মিতভাবে গুরুতর মামলাগুলোর খোঁজ রাখে? মৃত্যুদণ্ডের ঝুঁকিতে থাকা বাংলাদেশিদের বিষয়ে কোনো কার্যকর নজরদারি ব্যবস্থা আছে কি? আর থাকলে, এই ঘটনায় সেটি কীভাবে কাজ করেছে? এসব প্রশ্নের উত্তর চাই। দায়সারা বক্তব্য নয়, চাই তথ্য, ব্যাখ্যা এবং জবাবদিহি। সাংবাদিকতারও কঠিন পরীক্ষা এই ঘটনার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা দাবি, অভিযোগ ও অনুমান ছড়িয়ে পড়ছে। কিন্তু দুই বাংলাদেশির পরিচয়, তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, বিচারপ্রক্রিয়ার বিবরণ, মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সময় এবং বাংলাদেশি দূতাবাসের ভূমিকা নিয়ে নির্ভরযোগ্য ও পূর্ণাঙ্গ তথ্য কতটা সামনে এসেছে? যদি সংবাদমাধ্যম এসব মৌলিক প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করতে ব্যর্থ হয়, তবে তা সাংবাদিকতার জন্যও আত্মসমালোচনার বিষয়। এই দুই নাগরিকের পরিবার কোথায়? তাঁদের স্বজনেরা কী জানেন? তাঁরা কি বিচারপ্রক্রিয়া সম্পর্কে অবগত ছিলেন? বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষ তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল কি? সৌদি কর্তৃপক্ষের বক্তব্য কী? সংশ্লিষ্ট নথিপত্র ও নির্ভরযোগ্য সূত্র যাচাই করে এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করা প্রয়োজন।

কূটনৈতিক দুর্বলতা, নাকি রাজনৈতিক সদিচ্ছার অভাব? অনেকে বলছেন, সৌদি আরবের মতো অর্থনৈতিক ও ভূরাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী একটি রাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশ হয়তো শক্ত অবস্থান নিতে পারবে না। কিন্তু প্রশ্ন হলো, রাষ্ট্রের নাগরিকের জীবন রক্ষার প্রশ্নে কূটনীতি কি শুধু শক্তিশালী দেশের মন জুগিয়ে চলার নাম? অবশ্যই নয়। কূটনীতি মানে অযথা সংঘাত সৃষ্টি করা নয়, আবার শক্তিশালী রাষ্ট্রের সামনে নীরব দর্শক হয়ে থাকাও নয়। কূটনীতির প্রকৃত পরীক্ষা হয় তখনই, যখন নিজের দেশের কোনো নাগরিক বিপদে পড়েন এবং তাঁকে রক্ষার জন্য সংবেদনশীল, বিচক্ষণ ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন হয়। অতীতে বিভিন্ন দেশে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বাংলাদেশিদের মুক্তি কিংবা শাস্তি লাঘবের জন্য ক্ষতিপূরণ বা রক্তপণ প্রদানের মাধ্যমে সমঝোতার উদ্যোগ নেওয়ার নজির রয়েছে বলে আলোচনা আছে। এমন উদ্যোগের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দেশের আইন, ভুক্তভোগী পরিবারের সম্মতি এবং বিচারিক প্রক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ। তবে এসব নজির অন্তত একটি বিষয় সামনে আনে—কিছু পরিস্থিতিতে কূটনৈতিক যোগাযোগ, আইনি সহায়তা ও সময়মতো উদ্যোগ জীবন বাঁচানোর সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে। তাহলে এবার কী করা হয়েছিল? কখন করা হয়েছিল? কী ধরনের যোগাযোগ হয়েছিল? আর কোনো উদ্যোগ নেওয়ার সুযোগ থাকলে তা কাজে লাগানো হয়েছিল কি? সরকারের কাছে এসব প্রশ্নের জবাব প্রত্যাশা করা অন্যায় নয়। বরং নাগরিকের জীবন রক্ষায় রাষ্ট্রের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা নাগরিকের ন্যায্য অধিকার। ‘শিক্ষা নেওয়ার’ কথা নয়, জবাবদিহির নিশ্চয়তা চাই এমন একটি মর্মান্তিক ঘটনার পর দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা যদি বলেন, এ ঘটনা থেকে শিক্ষা নেওয়ার আছে, তাহলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগে—কীসের শিক্ষা? কেন আগে থেকে কার্যকর ব্যবস্থা ছিল না? আর সেই ব্যবস্থার ঘাটতি থাকলে দায় কার? মানুষের জীবন চলে যাওয়ার পর শিক্ষা নেওয়ার কথা বলা সহজ। কিন্তু রাষ্ট্রের দায়িত্ব হলো, বিপদের আগেই সতর্ক হওয়া, ঝুঁকিতে থাকা নাগরিকদের চিহ্নিত করা এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করা। মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পর ব্যাখ্যা চাওয়া জরুরি হতে পারে, কিন্তু সেটি জীবন রক্ষার আগাম উদ্যোগের বিকল্প নয়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব শুধু আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশ নেওয়া, কূটনৈতিক বৈঠক করা কিংবা বিবৃতি দেওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে পারে না। বিদেশে থাকা একজন সাধারণ শ্রমিকের জীবনও রাষ্ট্রের কাছে সমান গুরুত্বপূর্ণ হতে হবে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের মর্যাদা রক্ষার অর্থ শুধু রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে সম্মান পাওয়া নয়; বিপন্ন নাগরিকের পাশে দাঁড়ানোর সামর্থ্যও তার অংশ। আর কোনো জনপ্রতিনিধি যদি অভিযুক্ত ব্যক্তিদের ‘পাপের মৃতদেহ’ বলে আখ্যা দিয়ে তাঁদের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার বিরোধিতা করেন, তবে সেটিও গভীরভাবে প্রশ্নবিদ্ধ। কারও বিরুদ্ধে অপরাধের অভিযোগ থাকলেই তাঁর প্রতি মানবিক মর্যাদা অস্বীকার করা যায় না। বিচার ও শাস্তির প্রশ্ন এক বিষয়, আর মৃত ব্যক্তির প্রতি ন্যূনতম মানবিক আচরণ অন্য বিষয়। জনপ্রতিনিধিদের ভাষা ও আচরণে এই পার্থক্যটুকু থাকা জরুরি।

প্রবাসী কি শুধু রেমিট্যান্স পাঠানোর যন্ত্র? সবচেয়ে বেদনাদায়ক প্রশ্নটি এখানেই। প্রবাসীরা যখন বৈদেশিক মুদ্রা পাঠান, তখন তাঁদের অবদান নিয়ে গর্ব করা হয়। তাঁদের বলা হয় দেশের অর্থনীতির প্রাণশক্তি, উন্নয়নের অংশীদার। কিন্তু তাঁদের কেউ বিদেশের কারাগারে বিপন্ন হলে, মৃত্যুদণ্ডের মুখোমুখি হলে কিংবা আইনি সহায়তার প্রয়োজন হলে রাষ্ট্র কতটা আন্তরিকভাবে তাঁদের পাশে দাঁড়ায়? প্রবাসী বাংলাদেশিরা কি শুধু রেমিট্যান্স পাঠানোর সময়ই রাষ্ট্রের কাছে গুরুত্বপূর্ণ, নাকি তাঁদের জীবন ও মর্যাদাও সমান মূল্যবান? একটি রাষ্ট্রের নাগরিক বিদেশে গিয়ে বিপদে পড়লে সরকার সব সময় তাঁর শাস্তি ঠেকাতে পারবে—এমন নিশ্চয়তা কেউ দিতে পারে না। অন্য দেশের বিচারব্যবস্থার ওপর বাংলাদেশের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণও নেই। কিন্তু রাষ্ট্র যথাসময়ে তথ্য সংগ্রহ, আইনি সহায়তা, কূটনৈতিক যোগাযোগ এবং ন্যায়সংগত প্রক্রিয়া নিশ্চিত করার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে কি না, সেটি অবশ্যই যাচাই করা যায়। এই ঘটনায় সেই যাচাই প্রয়োজন। প্রয়োজন স্বচ্ছ তদন্ত, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ব্যাখ্যা এবং ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি মোকাবিলায় কার্যকর ব্যবস্থা।

রাষ্ট্রের মর্যাদা রক্ষার এখনই সময় সৌদি আরবের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ। সেই সম্পর্কের গুরুত্ব অস্বীকার করার সুযোগ নেই। কিন্তু দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের গুরুত্ব দেখিয়ে নিজের নাগরিকের জীবন ও মর্যাদার প্রশ্নকে আড়াল করাও গ্রহণযোগ্য নয়। বাংলাদেশের উচিত কূটনৈতিক শিষ্টাচার বজায় রেখে সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছে পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা চাওয়া, বিচারপ্রক্রিয়া সম্পর্কে প্রাসঙ্গিক তথ্য সংগ্রহ করা, সংশ্লিষ্ট পরিবারকে সহায়তা দেওয়া এবং মৃত্যুদণ্ডের ঝুঁকিতে থাকা অন্য বাংলাদেশিদের বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া। একই সঙ্গে দেশের প্রতিটি দূতাবাসে গুরুতর ফৌজদারি মামলার তথ্য সংগ্রহ, আইনি সহায়তা এবং পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের ব্যবস্থা কতটা কার্যকর, তা পর্যালোচনা করা প্রয়োজন। আমরা কোনো দেশের সঙ্গে অযথা বিরোধ চাই না। আমরা চাই না কূটনৈতিক সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হোক। কিন্তু আমরা এটাও চাই না, শক্তিশালী দেশের সঙ্গে সম্পর্কের অজুহাতে বাংলাদেশের নাগরিকদের জীবন ও মর্যাদার প্রশ্নে রাষ্ট্র নীরব কিংবা নিষ্ক্রিয় হয়ে থাকুক। মনে রাখতে হবে, একটি রাষ্ট্রের শক্তি শুধু তার অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, সামরিক সামর্থ্য কিংবা আন্তর্জাতিক প্রভাব দিয়ে পরিমাপ করা যায় না। তার প্রকৃত শক্তি প্রকাশ পায় তখন, যখন অসহায় নাগরিকের পাশে দাঁড়ানোর প্রয়োজন হয়; যখন দূরদেশে বিপন্ন একজন মানুষ নিজের রাষ্ট্রের দিকে শেষ আশায় তাকিয়ে থাকেন। সেই মানুষটির কাছে রাষ্ট্র যদি সময়মতো পৌঁছাতে না পারে, তবে স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় মর্যাদার বড় বড় বুলি তাঁর পরিবারের শোক লাঘব করতে পারবে না। বাংলাদেশের নাগরিকদের জীবন কোনো কূটনৈতিক অস্বস্তির চেয়ে ছোট নয়। প্রবাসীদের জীবন কোনো পরিসংখ্যান নয়, তাঁদের পরিবার কোনো উপেক্ষণীয় বাস্তবতা নয়। রাষ্ট্রের দায়িত্ব মৃত্যুর পর শোক প্রকাশ করা নয়, মৃত্যুর আগে জীবন রক্ষার সর্বোচ্চ চেষ্টা করা। এখন প্রয়োজন স্পষ্ট জবাব, কার্যকর কূটনীতি এবং দৃশ্যমান জবাবদিহি। কারণ নাগরিকের জীবন রক্ষায় রাষ্ট্রের ব্যর্থতা যদি প্রশ্নহীন থেকে যায়, তবে একই আশঙ্কা আগামীকাল আরও কোনো বাংলাদেশি পরিবারের দরজায় কড়া নাড়তে পারে।

লেখক: ড. আবুল হাসনাৎ মিল্টন,সাংবাদিক, রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও প্রধান সম্পাদক, দ্যা সোর্স নিউজ বাংলা (The Source News Bangla)

এই সংবাদটি শেয়ার করুন: