সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
logo

দ্য সোর্স নিউজ বাংলা

সংবাদ পর্যালোচনা

অজিত দোভালের ঢাকা সফর এবং জঙ্গি নির্মূলের কঠোর ডেডলাইন। জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষায় ঢাকা সফর: জঙ্গি আস্তানা ভাঙতে কঠোর অবস্থান ভারতের।

✍ লিখেছেন: ড. আবুল হাসনাৎ মিল্টন,সাংবাদিক, রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও প্রধান সম্পাদক, দ্যা সোর্স নিউজ বাংলা (The Source News Bangla) প্রকাশিত: ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১:১৫ পিএম
 অজিত দোভালের ঢাকা সফর এবং জঙ্গি নির্মূলের কঠোর ডেডলাইন। জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষায় ঢাকা সফর: জঙ্গি আস্তানা ভাঙতে কঠোর অবস্থান ভারতের।

সীমান্ত সুরক্ষা ও আঞ্চলিক নিরাপত্তার স্বার্থেই জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল সম্প্রতি অত্যন্ত গোপনীয় সফরে ঢাকায় গিয়েছিলেন। গোয়েন্দা রিপোর্টে স্পষ্ট যে, বাংলাদেশের মাটিতে ভারতের বিরুদ্ধে ২৪টি জঙ্গি লঞ্চ প্যাড সক্রিয় রয়েছে, যেখানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও অ্যাটাক ড্রোন মজুদ করা হচ্ছে।

অক্টোবরের ডেডলাইন:

আসন্ন দুর্গাপূজার সময় কলকাতা ও সংলগ্ন বাংলায় বড় ধরনের হামলা চালানোর জন্য পাকিস্তানি লস্কর-ই-তৈয়বা ও অন্যান্য জঙ্গি গোষ্ঠীগুলো এই লঞ্চ প্যাডগুলো ব্যবহার করার ছক কষেছে। এই প্রেক্ষাপটে অজিত দোভাল বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষকে অত্যন্ত কঠোর ভাষায় অক্টোবর মাসের মধ্যে এই ২৪টি জঙ্গি ঘাঁটি সম্পূর্ণ ধ্বংস করার ডেডলাইন বেঁধে দিয়েছেন।

দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের শর্ত: বাংলাদেশের পক্ষ থেকে উচ্চপর্যায়ের সফরের আকুতি থাকলেও, আগে জঙ্গি ঘাটিঁগুলো নির্মূল না করা পর্যন্ত ভারত যে কোনো ছাড় দিতে নারাজ—এই বার্তাও পরিষ্কার করে দেওয়া হয়েছে। যদি বাংলাদেশ সরকার সময়মতো এই জঙ্গি আস্তানাগুলো ধ্বংস করতে ব্যর্থ হয়, তবে ২০১৬ সালের মতো মায়ানমার সীমান্তে পরিচালিত 'অপারেশন হট পারস্যুট'-এর আদলে পুবের সীমান্তেও ভারতীয় স্পেশাল ফোর্স সরাসরি কঠোর সামরিক পদক্ষেপ নিতে পিছপা হবে না। ভারতের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এই কঠোর অবস্থানই বর্তমান জাতীয় নিরাপত্তার মূল ভিত্তি।

সীমান্ত সুরক্ষা ও আঞ্চলিক নিরাপত্তার স্বার্থেই জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল সম্প্রতি অত্যন্ত গোপনীয় সফরে ঢাকায় গিয়েছিলেন। গোয়েন্দা রিপোর্টে স্পষ্ট যে, বাংলাদেশের মাটিতে ভারতের বিরুদ্ধে ২৪টি জঙ্গি লঞ্চ প্যাড সক্রিয় রয়েছে, যেখানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও অ্যাটাক ড্রোন মজুদ করা হচ্ছে।

অক্টোবরের ডেডলাইন: আসন্ন দুর্গাপূজার সময় কলকাতা ও সংলগ্ন বাংলায় বড় ধরনের হামলা চালানোর জন্য পাকিস্তানি লস্কর-ই-তৈয়বা ও অন্যান্য জঙ্গি গোষ্ঠীগুলো এই লঞ্চ প্যাডগুলো ব্যবহার করার ছক কষেছে। এই প্রেক্ষাপটে অজিত দোভাল বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষকে অত্যন্ত কঠোর ভাষায় অক্টোবর মাসের মধ্যে এই ২৪টি জঙ্গি ঘাঁটি সম্পূর্ণ ধ্বংস করার ডেডলাইন বেঁধে দিয়েছেন।

দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের শর্ত: বাংলাদেশের পক্ষ থেকে উচ্চপর্যায়ের সফরের আকুতি থাকলেও, আগে জঙ্গি ঘাটিঁগুলো নির্মূল না করা পর্যন্ত ভারত যে কোনো ছাড় দিতে নারাজ—এই বার্তাও পরিষ্কার করে দেওয়া হয়েছে। যদি বাংলাদেশ সরকার সময়মতো এই জঙ্গি আস্তানাগুলো ধ্বংস করতে ব্যর্থ হয়, তবে ২০১৬ সালের মতো মায়ানমার সীমান্তে পরিচালিত 'অপারেশন হট পারস্যুট'-এর আদলে পুবের সীমান্তেও ভারতীয় স্পেশাল ফোর্স সরাসরি কঠোর সামরিক পদক্ষেপ নিতে পিছপা হবে না। ভারতের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এই কঠোর অবস্থানই বর্তমান জাতীয় নিরাপত্তার মূল ভিত্তি।

লেখক: ড. আবুল হাসনাৎ মিল্টন,সাংবাদিক, রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও প্রধান সম্পাদক, দ্যা সোর্স নিউজ বাংলা (The Source News Bangla)

এই সংবাদটি শেয়ার করুন: